ডেস্ক: ইরানের রাজধানী তেহরানে ৫ জুলাই রোববার গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রথম জানাজা ও নামাজ সম্পন্ন হয়।রাষ্ট্রীয়ভাবে আয়োজিত এই জানাজাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তে মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। নিরাপত্তার কারণে পুরো শহরে কড়া নজরদারি ছিল, তবে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
জানাজার সময় আয়াতুল্লাহ খামেনির দীর্ঘ রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনের কথা স্মরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ধর্মীয় নেতা, সরকারি কর্মকর্তা এবং সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
তেহরানের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষজন বলেন, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, অনেকের কাছে তিনি ধর্মীয় অনুপ্রেরণার প্রতীকও ছিলেন। তাই তার জানাজায় অংশ নেওয়াকে তারা নিজেদের দায়িত্ব মনে করেছেন।
নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকাজুড়ে সতর্ক অবস্থানে ছিল। ড্রোন নজরদারি এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না হয়।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোও এই জানাজার ওপর নজর রাখছে। কারণ আয়াতুল্লাহ খামেনি ইরানের বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। তার জীবনের এই অধ্যায় শেষ হওয়ার পর দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক গতিপথ নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে সাধারণ মানুষের অনুভূতি ছিল বেশি আবেগঘন। অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। শহরের পরিবেশ ছিল শোকের।
আগামী ৭ই জুলাই পবিত্র শহর কোমে অনুষ্ঠিত হবেআয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পরবর্তী জানাজা।
৮ই জুলাই বুধবার তার মরদেহ নেওয়া হবে ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরে।
এবং সর্বশেষ ৯ই জুলাই বৃহস্পতিবার তার নিজ জন্মশহর মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারে তাকে সমাহিত করা হবে।


